বিষাক্ত বিরহ
সজল কুমার সরকার
কেন শেখালে ভালবাসা?
পাশেই যদি না থাকলে প্রিয়া।
আমি তো বেশ ছিলাম,কলংকের বোঝা মাথায় নিয়ে,
অশ্পৃশ্য ঘোর অমানিশা হয়ে।
কেন শেখালে তুমি আমায়,
জ্যোস্না রাতে পূর্ণযৌবনা চাঁদের
রূপালী আলোক দেখতে?
সে আলোক এখন সূর্য গোলক হয়ে,
আমার অর্ন্তদেশ পুড়িয়ে করছে ছারখার।
কেন ধরেছিলে হাত?
ভালবাসা আর আদরে কোমল হাত দুটি দিয়ে।
হেঁটেছিলে কেন মাইলের পর মাইল?
ঘণ্টার পর ঘণ্টা,চোখে চোখ রেখে,
কেন রচেছিলে ভবিষতের কর্মপঞ্জিকা?
তোমার সে পঞ্জিকা,আমার জীবন পঞ্জিকাকে,
করে দিয়েছে আজ এলোমেলো।
পদ্মাচরের তপ্ত বালুকারাশির মাঝে,
আমি সে পঞ্জিকাকে কবর দিয়েছিলাম।
জানতে চাইবে না?কেঁদেছিলাম কী না?
হ্যাঁ,কেঁদেছিলাম তো,সারাটা দিন কেঁদেছিলাম।
সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কেঁদেছিলাম।
অ্যালকোহলের বিষে,
বিরহের বিষ নাশ করতে চেয়েছিলাম আমি।
এমনই বিষাক্ত সে বিষ,একদম খাঁটি জানো।
তা আজও ফরমালিনের মত
আমার স্নায়ুকে কুরে কুরে খাচ্ছে।
সুয়োপোকার মত দৌড়ে বেড়াচ্ছে আমার ধমনীতে।
হৃদপিণ্ডটাকে খাদ্য বানিয়ে হচ্ছে বলবান।
এখন,আমি আর বনলতাসেন আবৃত্তি করি না,
খুঁজি না আর পাখির নীড়ের মত চোখ।
গাঙচিল হয়ে ডানা মেলে,
উড়তে চাই না আর আকাশে,
হংসমিথুন হয়ে ভাসতে চাই না পদ্মপুকুরে।
ঝুলন দোলায় দোল খাওয়ার সাধ জাগে না আর।
সূর্যের প্রখর তাপদাহে এখন,
খুঁজি না কৃষ্ণচুড়ার শীতল ছায়া।
শুধু চেয়ে থাকি অপলকে
আমাদের মহাশ্মশাণটার দিকে।
দেখি,আমার চিতার কুণ্ডলিকৃত ধোঁয়ার সাথে,
সে কষ্টগুলো উড়ে যাচ্ছে আকাশে।
আমার স্বপ্নগুলো ছাই হয়ে মিলিয়ে যাচ্ছে হাওয়ায়।
আর আমি,মহাকালের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছি।
শুধু তুমি জানতে পারবে না,
কখন জ্বলবে আমার চিতা?
কবে নিঃশেষ হবে সে বিষাক্ত বিরহ।
ভালবাসা আর আদরে কোমল হাত দুটি দিয়ে।
হেঁটেছিলে কেন মাইলের পর মাইল?
ঘণ্টার পর ঘণ্টা,চোখে চোখ রেখে,
কেন রচেছিলে ভবিষতের কর্মপঞ্জিকা?
তোমার সে পঞ্জিকা,আমার জীবন পঞ্জিকাকে,
করে দিয়েছে আজ এলোমেলো।
পদ্মাচরের তপ্ত বালুকারাশির মাঝে,
আমি সে পঞ্জিকাকে কবর দিয়েছিলাম।
জানতে চাইবে না?কেঁদেছিলাম কী না?
হ্যাঁ,কেঁদেছিলাম তো,সারাটা দিন কেঁদেছিলাম।
সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কেঁদেছিলাম।
অ্যালকোহলের বিষে,
বিরহের বিষ নাশ করতে চেয়েছিলাম আমি।
এমনই বিষাক্ত সে বিষ,একদম খাঁটি জানো।
তা আজও ফরমালিনের মত
আমার স্নায়ুকে কুরে কুরে খাচ্ছে।
সুয়োপোকার মত দৌড়ে বেড়াচ্ছে আমার ধমনীতে।
হৃদপিণ্ডটাকে খাদ্য বানিয়ে হচ্ছে বলবান।
এখন,আমি আর বনলতাসেন আবৃত্তি করি না,
খুঁজি না আর পাখির নীড়ের মত চোখ।
গাঙচিল হয়ে ডানা মেলে,
উড়তে চাই না আর আকাশে,
হংসমিথুন হয়ে ভাসতে চাই না পদ্মপুকুরে।
ঝুলন দোলায় দোল খাওয়ার সাধ জাগে না আর।
সূর্যের প্রখর তাপদাহে এখন,
খুঁজি না কৃষ্ণচুড়ার শীতল ছায়া।
শুধু চেয়ে থাকি অপলকে
আমাদের মহাশ্মশাণটার দিকে।
দেখি,আমার চিতার কুণ্ডলিকৃত ধোঁয়ার সাথে,
সে কষ্টগুলো উড়ে যাচ্ছে আকাশে।
আমার স্বপ্নগুলো ছাই হয়ে মিলিয়ে যাচ্ছে হাওয়ায়।
আর আমি,মহাকালের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছি।
শুধু তুমি জানতে পারবে না,
কখন জ্বলবে আমার চিতা?
কবে নিঃশেষ হবে সে বিষাক্ত বিরহ।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন