শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৭

খুকি অাঁকে ছবি পলক রায়














খুকি অাঁকে ছবি
পলক রায়

রঙতুলিতে অাঁকে খুকি
অামার দেশের ছবি
অাঁকে খুকি নিপুন মনে
পূর্বাকাশের রবি।

খুকি অাঁকে সেই ছবিটি
যে টি রক্তে কেনা
সবুজ বাংলা নামটি যে তার
বিশ্ববাসীর চেনা।

খুকি অাঁকে অমর ছবি
শেখ মুজিব তাঁর নাম
সোনার বাংলার পিতা তিনি
অমূল্য তাঁর দাম।

খুকি অাঁকে লাল সবুজে
বাংলার বিজয় নিশান
অাকাশেতে মুক্ত উড়ে
গাই বিজয়ের জয়গান।

রচনা:- ২৩-১২-১৭

বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৭

বিজয় নিশান পলক রায়














বিজয় নিশান
পলক রায়

সোনার বাংলার বিজয় নিশান
লাল সবুজে অাঁকা
সেই নিশানে শহীদ হলো
বাংলা মায়ের খোকা।

বীরবাঙালি দিলো প্রাণটি
এই নিশানের জন্য
সেই নিশানটি উড়ছে যে অাজ
বীরবাঙালি ধন্য।

মায়ের মুখে ফুটছে হাসি
পেয়ে বিজয় নিশান
সন্তানহারা কষ্ট ভুলে
মা গায় খুশির যে গান।

বিজয় নিশান, মহান নিশান
বাংলায় উড়ছে উড়বে
বিজয় নিশান হতে নিয়েই
তরুণেরা দেশ গড়বে।

রচনা:- ১৪- ১২-১৮

রবিবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৭

লাল ফিতা কামরুজ্জামান



















লাল ফিতা
কামরুজ্জামান

তোমার নিয়ে লেখা আমার যত গান-কবিতা,
জানে না কেউ সে বেদনার কি নিদারুন দুঃখ-ব্যথা।
সবুজ শ্যামল গাছে ছায়ে; ঘেরা মোদের গাঁ,
এই গাঁয়েরি বিজলী মেয়ের নূপুর পরা পা।
সন্ধ্যা বেলায় নদীর ধারে বাজাই আমি বাঁশি,
তোমার কানে বাঁশির সুর বাতাসে যায় ভাসি।
আমার পাশে বসতে তুমি মৃদু পায়ে এসে,
একলা মনে চলে যেতে শুষ্ক হাসি হেসে।
পাড়ার সবাই মিলে খেলেছি কত খেলা,
নদীর ধারে পুকুর পাড়ে সকাল-সন্ধ্যা বেলা।
মাঝে-মাঝে সকাল-সন্ধ্যা চোখের তারায় জাগে,
কখনো কখনো একা একা হৃদয়ে ব্যাথা লাগে।

কুড়ি বছর আগে-কোন এক কুয়াশা মাখা ভোরে,
খেজুর পাড়তে উঠে-গিয়েছিলাম পড়ে।
কেঁটে ছিলো হাত ইটের কোনায় লেগে,
রক্ত দেখে কেঁদেছিলে তুমি কিসের আবেগে!
ধরেছিলে চেঁপে কাঁটা হাত তোমার নরম হাতে,
কিসের মায়ার-টানে সে দিন পারিনি জানতে।
খুজেছিলে চারিপাশ দূর্বা ঘাস ব্যাকুল হয়ে,
নীরব হয়ে আমি তোমার নয়নে ছিলাম চেয়ে।
এক মুঠো ঘাস মুখে ভরে দাঁত দিয়ে চিবিয়ে,
ক্ষতের উপর মলমের মত দিলে লাগিয়ে।
দিয়েছিলে সেবা আহত পাখির মত কেঁদে-কেঁদে,
মাথার লাল ফিতা খুলে ক্ষত হাতে মোর দিলে বেঁধে।

কোন এক শীতের রাতে ঘুম থেকে জেগে শুনি,
বিজলীর বাপের লাশের পাশে কুরআন পড়ার ধ্বনি।
তার একটু পাশেই চিৎকার করে কাঁদে বিজলীর মা,
মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরে তার পরান মানে না।
ছয় মাস পরে বর্ষাতে বিধি ছাড়া জানে না কেউ,
বিজলীর মায়ের বুকে উঠলো অজানা ব্যাথার ঢেউ।
সপ্তাহ খানিক সেই ব্যাথায় শুয়ে বিছানায় হায়,
চির দিনের মতো সন্ধ্যার আঁধারে পড়লো ঘুমায়।
সে দিন বুঝিনি আমি বাবা-মায়ের কবর পাশে,
মন ভার করে বিজলী একা একা থাকে বসে।
সকলে তার মাথায় রেখে হাত চোখ দেয় মুছে,
বাবা-মা ছেড়ে সেই ছোট্ট মেয়ে কি করে বাঁচে।

কিছুই মনে নেই আর আমার শুধু কিছু দিন পরে,
অচেনা কে যেনো এসে বিজলীর হাতটি ধরে।
নিষ্ঠুর পাষাণ হয়ে জোর করে নিয়ে গেলো দূরে,
যাবার বেলা সে বারে বারে পিছুন ফিরে।
নয়ন আকুল করে দেখেছিলো শুধু আমার,
হয়তো সে দিন কয়েক ফোঁটা অশ্রু বদনে তার;
গোপনে পড়েছিলো ঝরে আমার অগোচরে।
বোবা কাঁন্না কেঁদে কি চেয়েছিলো সে দিন কচি অন্তরে।
তার যাওয়ার পরে বছরে বছরে শরীর হয়েছে ভার,
বহুবার কাতর হয়ে হয়েছি পাথর আমার চারিধার।
দূর থেকে জোনাকীর মতো প্রতিরাতে জ্বেলে আলো,
তুমি জানো না, তোমাকে বেসেছি কতো খানি ভালো।

এর পর একে একে হলো কুড়িটি বছর পার,
আবার নতুন করে হলো দেখা তোমার আমার।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার বাসে দু'জন এক সাথে,
পাশাপাশি তবু কেউ কারো পারিনি চিনতে।
কোলের উপর বসা তোমার আট বছরের মেয়ে,
কুড়ি বছর পর ঠিক তোমার মতো আছে তাগিয়ে।
সহসা জানতে চাইলাম মামনি কি নাম তোমার,
"কুসুম" আঙ্কেল বলে ঠোঁটে ফোটে হাসির জোয়ার।
শৈশবের কথা ভাবি আমি একা নীরব মুখে,
কতবার চেয়েছিলাম তোমার মেয়ের চোখে।
কুড়ি বছরের তফাতে আজ তুমি কত খানি পর,
পারিনি হিসাব মিলাতে আমার এ বিষন্ন অন্তর।

গোটা দেশ হরতাল অবরোধে গেছে ছেয়ে,
বাসে উঠে ছুটিতে আসি বাড়ি উপায় না পেয়ে।
হঠৎ মারলো ককটেল মিছিলের সম্মুখ থেকে,
কুসুমের কাঁটলো হাত বাসের ভাঙা গ্লাস লেগে।
মেয়েকে বুকে জড়িয়ে তুমি কেঁদে দিশাহীন,
কুড়ি বছর সেই কন্ঠস্বরে আমি উদাসীন।
কাঁটা হাতের রক্ত দেখে চোখ ছলছল করে,
কুড়ি বছরের স্মৃতি আমার ভাসায় অাঁধারে।
একরাশ দীর্ঘশ্বাসে ভারি হয় দিগন্ত বাতাস,
যেন কষ্টের মেঘ জড়ো হয়ে ভরে নীলাকাশ।
অচেনা মা-মেয়ের সাথে আমার সম্পর্ক অনেক দুর,
তবু জানিনা কি কারনে মনে বাজে কোন বিরাহ সুর।

ব্যাগ থেকে শেভিংক্রিম বের করি অতি যত্ন করে,
লাগিয়ে দিলাম কুসুমের কাঁটা হাতের ক্ষতের উপরে।
তুমি কি যেন ভাবছিলে মেয়ের হাত খানি ধরে,
কষ্টের ঢেউ যেন তোমার বিষন্ন মুখে-বিষন্ন অন্তরে।
সাপুড়ে যেমন সাবধানে ডালী থেকে সাপ বের করে,
সাপুড়ের মত অবুজ আমি কুড়ি বছর পরে।
ব্যাগ থেকে এক লাল ফিতা করলাম বের,
ক্ষত হাতে বেঁধে রক্ত করলাম স্থির কুসুমের।
লাল ফিতা দেখে তোমার ভয়ে অন্তর উঠলো নড়ে,
আমার দিকে বিস্ময়ে তাকালে মেয়ের হাত ছেড়ে।
আমার চোখে রাখলে তোমার মায়াবী ঐ চোখ,
কুড়ি বছর পরে কুড়ি সেকেন্ড দেখলে অপলোক।

কুসুমের এক পাশে আমি আর অন্য পাশে তুমি,
বহুদিন পর প্রখর দুজনার দু'টি মন মৌন মরুভুমি।
শুধু নড়ে উঠে তুমি কি যেন খুঁজলে আমার চোখে,
ছেয়েছে কালো মেঘ ফর্সা মুখে পাহাড় সমান দুঃখে।
ভেবেছি কতো তোমায় আমি-নিষ্ঠুর পাষাণী স্বার্থপর,
আমার মতো দীর্ঘশ্বাসে কেঁটেছে তোমার কুড়িটা বছর।
আগে জানিনি আমি বুকে তোমার কষ্ট ভরা নদী,
কুড়িটি বছর বয়ে চলেছে নীরবে নিরবধি।
অপরাধী চোখে চেয়ে আছি কুড়ি বছরের দিকে,
জোর করে হাসি মলিণ মুখে কষ্টের ছাঁপ নিয়ে বুকে।
পাইনিকো দিশে হারিয়ে তোমায় কুড়িটি বছর শেষে,
জানিনা কখন গেছে আমার জীবনের স্রোতে মিশে।

লাল ফিতা দেখে আজ তোমার ব্যথায় ভরে বুক,
রক্ত রাঙা ফিতা খানি আমার কুড়ি বছরের সুখ।
পুরাতন ফিতা খানি দেখে ফেললে আমায় চিনে,
স্বপ্ন হীন কুড়ি বছর পাইনি সুখ আমি তুমি বিনে।
ফিতার মানে জানতে কথা থেমে গেলো মুখে,
ভুবনের আছে যত ভাষা কেঁদে ফিরে গেলো দুখে।
কতো জায়গায় ব্যাগে করে কুড়িটি বছর বয়ে,
ঘুরেছি কতো আমি লাল ফিতা খানি লয়ে।
কতো শত বার ব্যাগ থেকে ফিতা খানি বের করে,
দেখতাম সমস্ত নিশি ভরে অশ্রু আমার যেতো ঝরে।
সাগরের পানে ছুটে চলা নদীর মতো এ দু'টি চোখ,
ঢেউয়ের আঘাতে আঘাতে জেগে উঠে মোর শোক।

বিয়ের কয়েক বছর পর স্বামী তার মরে যায়,
এতো বড় পৃথিবীতে অভাগীর আর কেহ নাই।
মেয়েকে নিয়ে জীবন কাটে অতি দুঃখ কষ্টের সনে,
পুরোনো ব্যাথা খানি তার জেগে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে।
সুখে না হোক দুঃখে কুড়িটি বছর দিয়ে পাড়ি,
আজ শূন্য জীবন পূর্ণ করতে দিলে সব ছাড়ি।
আজও আমি একা শুধু তোমার জন্য অভাগী,
দু'এক বছর নয়, রইলাম কুড়িটি বছর জাগি।
অভিমানী মুখে গড়ে পড়েছে চোখের লোনা পানি,
বাসতে কতো ভালো আমায়-জানি আমি জানি।
উদাসিনী বিজলী বালা একেলা তার মতো বুঝি,
ছোট বেলা আমি এখনো খুঁজি দু'চোখ বুজি।

শুক্রবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৭

লাল ফিতা কামরুজ্জামান





















লাল ফিতা
কামরুজ্জামান

তোমার নিয়ে লেখা আমার যত গান-কবিতা,
জানে না কেউ সে বেদনার কি নিদারুন দুঃখ-ব্যথা।
সবুজ শ্যামল গাছে ছায়ে; ঘেরা মোদের গাঁ,
এই গাঁয়েরি বিজলী মেয়ের নূপুর পরা পা।
সন্ধ্যা বেলায় নদীর ধারে বাজাই আমি বাঁশি,
তোমার কানে বাঁশির সুর বাতাসে যায় ভাসি।
আমার পাশে বসতে তুমি মৃদু পায়ে এসে,
একলা মনে চলে যেতে শুষ্ক হাসি হেসে।
পাড়ার সবাই মিলে খেলেছি কত খেলা,
নদীর ধারে পুকুর পাড়ে সকাল-সন্ধ্যা বেলা।
মাঝে-মাঝে সকাল-সন্ধ্যা চোখের তারায় জাগে,
কখনো কখনো একা একা হৃদয়ে ব্যাথা লাগে।
/ 
কুড়ি বছর আগে-কোন এক কুয়াশা মাখা ভোরে,
খেজুর পাড়তে উঠে-গিয়েছিলাম পড়ে।
কেঁটে ছিলো হাত ইটের কোনায় লেগে,
রক্ত দেখে কেঁদেছিলে তুমি কিসের আবেগে!
ধরেছিলে চেঁপে কাঁটা হাত তোমার নরম হাতে,
কিসের মায়ার-টানে সে দিন পারিনি জানতে।
খুজেছিলে চারিপাশ দূর্বা ঘাস ব্যাকুল হয়ে,
নীরব হয়ে আমি তোমার নয়নে ছিলাম চেয়ে।
এক মুঠো ঘাস মুখে ভরে দাঁত দিয়ে চিবিয়ে,
ক্ষতের উপর মলমের মত দিলে লাগিয়ে।
দিয়েছিলে সেবা আহত পাখির মত কেঁদে-কেঁদে,
মাথার লাল ফিতা খুলে ক্ষত হাতে মোর দিলে বেঁধে।
/ 
কোন এক শীতের রাতে ঘুম থেকে জেগে শুনি,
বিজলীর বাপের লাশের পাশে কুরআন পড়ার ধ্বনি।
তার একটু পাশেই চিৎকার করে কাঁদে বিজলীর মা,
মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরে তার পরান মানে না।
ছয় মাস পরে বর্ষাতে বিধি ছাড়া জানে না কেউ,
বিজলীর মায়ের বুকে উঠলো অজানা ব্যাথার ঢেউ।
সপ্তাহ খানিক সেই ব্যাথায় শুয়ে বিছানায় হায়,
চির দিনের মতো সন্ধ্যার আঁধারে পড়লো ঘুমায়।
সে দিন বুঝিনি আমি বাবা-মায়ের কবর পাশে,
মন ভার করে বিজলী একা একা থাকে বসে।
সকলে তার মাথায় রেখে হাত চোখ দেয় মুছে,
বাবা-মা ছেড়ে সেই ছোট্ট মেয়ে কি করে বাঁচে।
/ 
কিছুই মনে নেই আর আমার শুধু কিছু দিন পরে,
অচেনা কে যেনো এসে বিজলীর হাতটি ধরে।
নিষ্ঠুর পাষাণ হয়ে জোর করে নিয়ে গেলো দূরে,
যাবার বেলা সে বারে বারে পিছুন ফিরে।
নয়ন আকুল করে দেখেছিলো শুধু আমার,
হয়তো সে দিন কয়েক ফোঁটা অশ্রু বদনে তার;
গোপনে পড়েছিলো ঝরে আমার অগোচরে।
বোবা কাঁন্না কেঁদে কি চেয়েছিলো সে দিন কচি অন্তরে।
তার যাওয়ার পরে বছরে বছরে শরীর হয়েছে ভার,
বহুবার কাতর হয়ে হয়েছি পাথর আমার চারিধার।
দূর থেকে জোনাকীর মতো প্রতিরাতে জ্বেলে আলো,
তুমি জানো না, তোমাকে বেসেছি কতো খানি ভালো।
/ 
এর পর একে একে হলো কুড়িটি বছর পার,
আবার নতুন করে হলো দেখা তোমার আমার।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার বাসে দু'জন এক সাথে,
পাশাপাশি তবু কেউ কারো পারিনি চিনতে।
কোলের উপর বসা তোমার আট বছরের মেয়ে,
কুড়ি বছর পর ঠিক তোমার মতো আছে তাগিয়ে।
সহসা জানতে চাইলাম মামনি কি নাম তোমার,
"কুসুম" আঙ্কেল বলে ঠোঁটে ফোটে হাসির জোয়ার।
শৈশবের কথা ভাবি আমি একা নীরব মুখে,
কতবার চেয়েছিলাম তোমার মেয়ের চোখে।
কুড়ি বছরের তফাতে আজ তুমি কত খানি পর,
পারিনি হিসাব মিলাতে আমার এ বিষন্ন অন্তর।
/ 
গোটা দেশ হরতাল অবরোধে গেছে ছেয়ে,
বাসে উঠে ছুটিতে আসি বাড়ি উপায় না পেয়ে।
হঠৎ মারলো ককটেল মিছিলের সম্মুখ থেকে,
কুসুমের কাঁটলো হাত বাসের ভাঙা গ্লাস লেগে।
মেয়েকে বুকে জড়িয়ে তুমি কেঁদে দিশাহীন,
কুড়ি বছর সেই কন্ঠস্বরে আমি উদাসীন।
কাঁটা হাতের রক্ত দেখে চোখ ছলছল করে,
কুড়ি বছরের স্মৃতি আমার ভাসায় অাঁধারে।
একরাশ দীর্ঘশ্বাসে ভারি হয় দিগন্ত বাতাস,
যেন কষ্টের মেঘ জড়ো হয়ে ভরে নীলাকাশ।
অচেনা মা-মেয়ের সাথে আমার সম্পর্ক অনেক দুর,
তবু জানিনা কি কারনে মনে বাজে কোন বিরাহ সুর।
/ 
ব্যাগ থেকে শেভিংক্রিম বের করি অতি যত্ন করে,
লাগিয়ে দিলাম কুসুমের কাঁটা হাতের ক্ষতের উপরে।
তুমি কি যেন ভাবছিলে মেয়ের হাত খানি ধরে,
কষ্টের ঢেউ যেন তোমার বিষন্ন মুখে-বিষন্ন অন্তরে।
সাপুড়ে যেমন সাবধানে ডালী থেকে সাপ বের করে,
সাপুড়ের মত অবুজ আমি কুড়ি বছর পরে।
ব্যাগ থেকে এক লাল ফিতা করলাম বের,
ক্ষত হাতে বেঁধে রক্ত করলাম স্থির কুসুমের।
লাল ফিতা দেখে তোমার ভয়ে অন্তর উঠলো নড়ে,
আমার দিকে বিস্ময়ে তাকালে মেয়ের হাত ছেড়ে।
আমার চোখে রাখলে তোমার মায়াবী ঐ চোখ,
কুড়ি বছর পরে কুড়ি সেকেন্ড দেখলে অপলোক।
/ 
কুসুমের এক পাশে আমি আর অন্য পাশে তুমি,
বহুদিন পর প্রখর দুজনার দু'টি মন মৌন মরুভুমি।
শুধু নড়ে উঠে তুমি কি যেন খুঁজলে আমার চোখে,
ছেয়েছে কালো মেঘ ফর্সা মুখে পাহাড় সমান দুঃখে।
ভেবেছি কতো তোমায় আমি-নিষ্ঠুর পাষাণী স্বার্থপর,
আমার মতো দীর্ঘশ্বাসে কেঁটেছে তোমার কুড়িটা বছর।
আগে জানিনি আমি বুকে তোমার কষ্ট ভরা নদী,
কুড়িটি বছর বয়ে চলেছে নীরবে নিরবধি। 
অপরাধী চোখে চেয়ে আছি কুড়ি বছরের দিকে,
জোর করে হাসি মলিণ মুখে কষ্টের ছাঁপ নিয়ে বুকে।
পাইনিকো দিশে হারিয়ে তোমায় কুড়িটি বছর শেষে, 
জানিনা কখন গেছে আমার জীবনের স্রোতে মিশে।
/ 
লাল ফিতা দেখে আজ তোমার ব্যথায় ভরে বুক,
রক্ত রাঙা ফিতা খানি আমার কুড়ি বছরের সুখ।
পুরাতন ফিতা খানি দেখে ফেললে আমায় চিনে,
স্বপ্ন হীন কুড়ি বছর পাইনি সুখ আমি তুমি বিনে।
ফিতার মানে জানতে কথা থেমে গেলো মুখে,
ভুবনের আছে যত ভাষা কেঁদে ফিরে গেলো দুখে।
কতো জায়গায় ব্যাগে করে কুড়িটি বছর বয়ে,
ঘুরেছি কতো আমি লাল ফিতা খানি লয়ে।
কতো শত বার ব্যাগ থেকে ফিতা খানি বের করে,
দেখতাম সমস্ত নিশি ভরে অশ্রু আমার যেতো ঝরে।
সাগরের পানে ছুটে চলা নদীর মতো এ দু'টি চোখ,
ঢেউয়ের আঘাতে আঘাতে জেগে উঠে মোর শোক।
/ 
বিয়ের কয়েক বছর পর স্বামী তার মরে যায়,
এতো বড় পৃথিবীতে অভাগীর আর কেহ নাই।
মেয়েকে নিয়ে জীবন কাটে অতি দুঃখ কষ্টের সনে,
পুরোনো ব্যাথা খানি তার জেগে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে।
সুখে না হোক দুঃখে কুড়িটি বছর দিয়ে পাড়ি,
আজ শূন্য জীবন পূর্ণ করতে দিলে সব ছাড়ি।
আজও আমি একা শুধু তোমার জন্য অভাগী,
দু'এক বছর নয়, রইলাম কুড়িটি বছর জাগি।
অভিমানী মুখে গড়ে পড়েছে চোখের লোনা পানি,
বাসতে কতো ভালো আমায়-জানি আমি জানি।
উদাসিনী বিজলী বালা একেলা তার মতো বুঝি,
ছোট বেলা আমি এখনো খুঁজি দু'চোখ বুজি।

বুধবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৭

স্বপ্নীল ভালবাসা মোঃ শাহীনুর ইসলাম শাহীন






















স্বপ্নীল ভালবাসা
মোঃ শাহীনুর ইসলাম শাহীন

জনম জনম তোমাকে
আরো কাছে পেতে চাই
রাঙ্গামাটির রং দিয়ে,
সখি রাঙ্গাবো তোমায় ।
রঙধনুর সাত রঙের
চুড়ি পরাবো তোমায় -

কক্সবাজারের ঝিনুক দিয়ে,
চক চকা ঝির ঝিরি শব্দের
মালা কিনে পরাবো তোমায় ।
নীল আকাঁশের মেঘ এনে
হিমছড়ির ঝর্ণার পানি দিয়ে
গোসল করাবো তোমায় ।

পদ্মার ইলিশ ভাঁজা দিয়ে
ভাত খাওয়াব তোমায়
মুখ মিষ্টি রাখিব সখি.
দিয়ে কুমিল্লার রস মলাই
বরিশালের পান খাওয়াবো
লাল ঠোঁটে হাসি ফোটাবো তোমায়

ইস্পাহানী লাল চা এনে
খাওয়াবো তোমায়..
তারপরেও
যদি ভুলে যাও আমায় ,
বাঁশখালীর বাঁশ দিয়ে -
সখি পিটাবো তোমায়..

মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৭

মুক্ত শিশু আলামিন ইসলাম



















মুক্ত শিশু আলামিন ইসলাম
 আমার ঘরের জানালা দিয়ে , চেয়ে দ্যাখো দূরের পানে ৷ দুপুর-বিকেল সারা সময় বাতাস যেথায় আঘাত হানে ৷ ছোট্ট কেহ যাচ্ছে ছুটে ? লাটাই ধরে হাতের মুঠে , উড়িয়ে ঘুড়ি শূন্যাকাশে ,চলছে আপনধ্যানে? ছোট্ট ,সে খুব বেজায় ছোটো,দুষ্টু -পাজি আমার মতো ৷ যার মনেতে সারা সময় ,কল্পনারা হারায় যত.... চলছে কী সে খুবই জোরে ? আনমনেতে খুশির ঘোরে , উড়িয়ে ঘুড়ি, সেই পথেতে ----আকাশ যেথায় নত ! ধানের জমি ,আলুর ক্ষেত কিংবা হলুদ সরষে ভুঁয়ে ৷ ছুটছে কী সে খুবই জোরে ,মিষ্টি বাতাস ছুঁয়ে ছুঁয়ে ! ক্ষুদ্র বাহুর একটু মুঠে , খুশির ধারা নিচ্ছে লুটে ? উড়িয়ে ঘুড়ি অনেক দূরে , যাচ্ছে বাঁকা আলি বেয়ে ? সারাটা দিন উড়িয়ে ঘুড়ি, দুপুর বেলায় ফিরবে বাড়ি ৷ খাওয়া -নাওয়া সবার সাথে একে একে ঘুচবে আড়ি ৷ তারপরেতেই লম্ফ দিয়ে, হাতের মুঠোই লাটায় নিয়ে, মাঠের ছেলে মাঠের পানেই ফিরবে আবার তাড়াতাড়ি! দিনের আলো নিভে যখন ,আসবে ঝাপসা সন্ধ্যা নেমে ৷ বাঁশবন আর আম্রকানন ভরবে যখন পাখির গানে ৷ দেখবে তখন এমন সাঁঝে , দুরন্তটি মাঠের মাঝে , পা চালিয়ে, ফিরছে বাড়ি, ভেসে ভেসে খুশির বানে ৷

প্রেমের পাখি পলক রায়



প্রেমের পাখি
পলক রায়

একটি পাখি খুব সুন্দরী
লাল টুকটুকে গোলাপ
সেই পাখিটি অামার সনে
করে মিষ্টি অালাপ।

সেই পাখিটি অাসল বন্ধু
অামার জানের জান
মন খারাপে শুনায় পাখি
ভালোলাগার গান।

সেই পাখিটি অামায় নিয়ে
লিখে কাব্য,গল্প
দিনে দিনে অামার বাড়ে
সেই পাখিটির কল্প।

হলুদ খামে লিখে পাখি
মনের যত কথা
অভিমানী করে পাখি
একটু পেলে ব্যথা।

প্রভুর কৃপায় সেই পাখিটি
অামার প্রেমের পাখি
সেই পাখিটির সনে যেন
জনম জনম থাকি।
.
রচনা: ৬-১১-১৭

মেয়েদের ফাঁদ শাহীনুর ইসলাম শাহীন























 মেয়েদের ফাঁদ
  শাহীনুর ইসলাম শাহীন

 আমি প্রায়ই আমার খুফাত ভাই নাদিরের এখানে আসা যাওয়া করতাম সে কাউতলীতে থাকিতএকদিন প্রায় দুপুর ১২টা দিকে বাড়ি ফিরবো, কাউতলীর মোড়ে আসিলাম - সি, এন,জির ড্রাইভার :- একজন - একজন, বিশ্বরোড, বিশ্বরোড... এমন সুন্দর সুযোগ! তারাতারী ই সি এন জি পেয়েগেলাম আস্তে আস্তে চলছে গাড়ি হাত উপরে উঠালাম দাঁড়ান, কাছে গিয়ে দেখি, সামনে ২ জন যুবক ২৫/৩০ বসরের বসা চেখারা ভালো করে দেখিনি এমন কি ড্রাইভার কে ও ভালো করে দেখলাম না , আর পিছনের সিটে ২ জন বোরকাপড়া মহিলা বসা, পিছনেই সিটে ই জায়গা ! বসলাম - তারা দু,জনার হাতে ২/৩ টা বিভিন্ন নামের " সেন্টের বোতল " স্প্রে ", একটা কোবরা, আরেকটা বেলী আর অন্যটা যেনো কি , একজন আরেকজন কে বলেছে তুকে বলেছি এইটা না - রেম্বু নেই! কথা তর্কা তর্কী করছে তারা, একজন মহিলা জিগ্যেস করিলো - ভাইজান কোথায় যাবেন..? আমি বললাম, - সরাইল সে আবার বলিল, আমরাও সরাইল যাবো.. থানার পাশেই আমাদের বাড়ি ভাইজান :- আপনিই বলেন, কোন বোতলের গন্ধটা ভালো ! আমি বললাম - আমি এই সবের ব্যাপারে ভালো ধারণা নাই, আমি স্প্রে ব্যবহার করি না মেয়েরা বললো :- আপনার ব্যবহার করতে শুধু একটু বিচার করুণ, কোনটা ভালো কোনটা খারাপ ! সি এন জি টা রেল গেইটা পার হচ্ছে... আবার একটা মহিলা বলছে- ভাই কি রাগ করেছেন ! নাহ্ রাগ করবো কেনো ? আপনি কি করেন ? বাহিরে ( সৌদিআরব ) থাকি আপনার ছেলেমেয়ে কয়জন..? আমি কথা বলছি না. বাহিরের দিকে তাকিয়ে আছি.. ওরা আবার সেই স্প্রে নিয়েই তর্ক শুরু করেছে , স্প্রে করছে গন্ধ টা এইটা ভালো! হঠাৎ আমার মুখের উপর স্প্রে করিলো..! আমি বললাম এইসব কি করছেন , একজন মহিলা বললো, - সরি ভাইজান ! কিন্তু আমার ত আস্তে আস্তে চোখ বন্দ হয়ে আসছে মাথাও কেমন যেনো ঝিম ঝিম করছে ...... চোখ খুলতেই চেয়ে দেখি ২ জন মহিলা সাদা পোশাকে ( নার্স ) একজন মহিলা বললো, ভাইয়া কেমন আছেন...! আমি বুঝে ও না বুঝার ভান ধরিলাম , কেনো কি হয়েছে...? আরে ভাই আপনাকে ২ জন লোকে হাসপাতালে ভর্তি করেগেছে, আপনি অজ্ঞান ছিলেন...! আমি একটু নীরব রইলাম, আর সেই সব কথা চিন্তা করলাম.. আমার মানিব্যাগ ( ৪/৫ হাজার ) টাকা ছিল, মোবাইল এবং ঘড়ি সবই নিয়া, আমাকে হাসপাতালে রেখে গেছে.....

ঐতিহাসিক সূর্য্যকান্দী ও "ঈদগাঁহ " ...................... মোঃ শাহীনুর ইসলাম শাহীন




















ঐতিহাসিক সূর্য্যকান্দী ও "ঈদগাঁহ " ...................... মোঃ শাহীনুর ইসলাম শাহীন 
 
 ঐতিহ্যবাহী সুর্যকান্দি গ্রাম কালীকচ্ছ ইউনিয়নে সরাইল থানায় বি, বাড়িয়া জেলার অন্তর্গত । সুন্দর মনোরম পরিবেশের এই গ্রাম, এই গ্রামে ১০০% মুসলমানের বসবাস । শালিস কারকরা খুবই শক্তিশালী তাঁরা পুরো কালীকচ্ছ ইউনিয়ন পরিচালনা করে । সম্মানীত কয়েকজন শালিস কারক যারা কয়েক এলাকাতে পরিচিতি ছিলেন তাঁদেরকে আল্লাহপাক জান্নাত নসীব করক, - জহিরুল হক মৃধা ( জরুলক কাকা ) আনোয়ারুল হক মৃধা,( আন্নর কাকা ) ওসমান গণি ভাই ও ফরিদ হোসেন ( ফরিদ মাষ্টার ) আব্দুস সোবহান ( সোবান কাকা ) । এখন যারা দায়িত্বে আছেন সম্মানীত আবু মুছা মৃধা, বাচ্ছু মৃধা, তৌহিদ কাকা, তগদীর হোসেন, শরিফ কাকা, ছোটন ভাই, খোকন ভাই । " ঐতিহ্যবাহী সূর্য্যকান্দীর " শেখ নাজিরের দর্গা " অনেকেই এখন জানে না,এর পূর্বের নাম। সুন্দর, মনোরম, নিরীবিলি পরিবেশ সেখানে, অনেকে বিভিন্ন প্রকার মানত পূরন করতে ( নফল নামাজ পড়তে) এখানে প্রায় আসেন । এখানে অনেক বুর্জুগ চীরনিদ্রায় শায়িত আছেন। অনেক অলৌকিক ঘটনা এখানে ঘটেছে, অনেকদিন এর খাদেম ছিলেন আমাদেরই এক চাচা (কালু পাগলা) ওখানে অনেক পুরাতন, পুরাতন গাছ গাছালী আছে এই সব গাছে বিভিন্ন প্রকার পাখি বড় বড় কাক অনবরত ডেকে যাচ্ছে কা কা করে । একটি পুকুর আছে, পুকুরের দুই পাশে পাঁকা করা ঘাটলা আছে, অনেকে ঘুরতে আসে, কিছুহ্মনের জন্যে আড্ডা দেয় -- আপনি ও একবার ঘুরে আসুন ভাল লাগবে ।

শনিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৭

আঘাত ___রমজান আলী রনি।

















আঘাত

___রমজান আলী রনি।

.

তুমি মুখ দিয়ে নয়,

চোখ দিয়ে আঘাত করেছ।

তুমি হাত দিয়ে নয়,

স্বভাব দিয়ে আঘাত করেছ।।

আঘাত,আঘাত,আঘাত,

প্রেমের ডাকনাম আঘাত।।

.

তুমি আমি দুজনে,

মায়ার বাঁধনে,

ছিলাম কত আপন।

জেগে-জেগে দুজনে,

রাতের মিনারে,

দেখেছি কত স্বপন।।

আজ কেন হলো এমন,

মাহারা শিশু কাঁদে যেমন,

বুকে নিয়ে ব্যথা শত।

আঘাত, আঘাত,আঘাত,

প্রেমের ডাকনাম আঘাত।।

.

তোমার দুখ স্মৃতি,

ভাঙে নিয়মনীতি,

দুনিয়ার খেলাঘরে।

সেখানে হাহাকার,

সবাই নির্বিকার,

তোমারই কারণে।।

দেখো বদলে গেছি আমি,

তোমার নামেই করি রাহাজানি।।

আকাশে কালো মেঘের মত,

আঘাত,আঘাত,আঘাত,

প্রেমের ডাকনাম আঘাত।

.

চাঁদের নোলকে,

তারার পালকে,

সাজিয়ে ছিলাম তোমায়।

একলা ফেলে,গেলে চলে,

কোন সে অচিন মায়ায়।।

বিরহের-জোয়ারি হয়েছি আমি,

তুমি এখন অনেক দামি,

কোটি টাকায় দিবারত।

আঘাত,আঘাত,আঘাত

প্রেমের ডাকনাম আঘাত।।

গানের কথা ও সুরঃরমজান আলী রনি।

মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭

কবি পলক রায় সম্পাদিত ‘৭১ এর রক্তস্নাত বাংলা’ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত















কবি পলক রায় সম্পাদিত ৭১ এর রক্তস্নাত বাংলা কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
সোমবার (২৮ অক্টোবর) কবি ও ছড়াকার পলক রায় সম্পাদিত বহুকাঙ্ক্ষিত  ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সত্যকাহিনী অবলম্বনে রচিত  যৌথকাব্যগ্রন্থ ৭১ এর রক্তস্নাত বাংলা শব্দমালা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে ।  বাংলা একাডেমী, একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত  বিশিষ্ট কবি নির্মলেন্দু গুণ, কবি অসীম সাহা( বাংলা একাডেমী,  অসংখ্য পুরস্কার প্রাপ্ত)ও  বাংলাদেশের খ্যাতনামা গীতিকবি এবং নবীন-প্রবীনদের কবিতা ৭১ এর রক্তস্নাত বাংলাকাব্যগ্রন্থকে নতুনরূপ দান করেছে 
.  
কবিদের লেখা কবিতায় প্রকাশিত হয়েছে ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সত্যকাহিনী, পাকবাহিনীর নির্মম হত্যাকাহিনী, বাংলার রাজাকারের চরিত্রহীনতা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেশ নেত্রীত্ব ও স্বাধীনতা ঘোষণা,  বাংলাদেশের নবীনদের এগিয়ে যাওয়ার জয়যাত্রা, তরুণদের দেশপ্রেমের আত্মত্যাগ, দেশ ও জাতির সেবামূলক কাজ করার আহবান এছাড়াও মহান বিজয় দিবস, অমর একুশ, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, মহান স্বাধীনতা দিবস, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, সাম্প্রতিক সময়ের বেদনাদায়ক ঘটনা, জঙ্গিবাদ, বর্তমান সমাজের অবস্থা, বিদ্রোহ, দেশপ্রেম, বিরহ, প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা এবং আরও বিভিন্ন বিষয়বস্তুকখনো কখনো লেখকেরা তাঁদের লেখায় সমাজের উচ্চবিত্তদের শোষণের চিত্র তুলে ধরেছেনআবার কখনো কখনো এঁকেছেন অনাহারী দারিদ্র্য মানুষগুলোর দুর্দশার চিত্রকবিদের এই অসাধারণ লেখনীর জন্য সম্পাদক পলক রায়  কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন  
.
৭১ এর রক্তস্নাত বাংলা যৌথকাব্যগ্রন্থটি যাদের লেখায় ফুটে ওঠেছে সে সব কবিরা হলেন কবি নির্মলেন্দু গুণ, ( বাংলা একাডেমী, একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত) ,  কবি অসীম সাহা( বাংলা একাডেমী, অসংখ্য পুরস্কার প্রাপ্ত),  কবি প্রত্যয় হামিদ ( সোনার দেশ/ সাহিত্য সম্পাদক) , পলক রায়(সাহিত্য সম্পাদক),  আছমা আক্তার সঞ্চিতা ,  সৌরভ দূর্জয় , কার্ত্তিক চন্দ্র সরকার , এস,এম,সাইদুর ,  সহিদুল ইসলাম ,  পূর্ণিমা ওসমান মেঘ ,  মোহাম্মদ আসকর আলী ফকির ,  হিমেল হিমু , রমজান আলী  রনি,  লিটন হোসেন  জয় , এন ইউ আহম্মেদ ,  সুমাইয়া আক্তার ,  মোঃ ফেরদৌস আলম , সাবরিনা ইসলাম নীড় ,  সুনীল চন্দ্র দাস ,  আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন , নাহীন ফেরদৌস , রুমা দাশ পড়শি , আজিম হোসেইন , তুষার কুমার সাহা , মো আশিকুর রাহমান , আলাউদ্দিন চৌধুরী , মোঃ শিমুল হোসেন , এম এ এইচ সাবু , আবু ইবনে সেলিম মল্লিক , মোঃনূরুল ইসলাম রাকিব ,  ইমরান খান রাজ ,  মাহমুদ পিয়াস, আবু মুসা অাশয়রী, বাবু বিশ্বাস, মোঃ আজহারুল ইসলাম ,  নাজমুল ইসলাম , সারোয়ার জাহান নূর ,  মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান।
.
এছাড়াও কবি পলক রায় সম্পাদিত অসংখ্য যৌথকাব্যগ্রন্থ রয়েছেতার মধ্যে  'সবুজের বুকে লাল', ' বিজয় নিশান', ' বাংলা আমার জন্মভুমি', 'তারুণ্যের অঙ্গীকার', 'জেগে ওঠো বাংলাদেশ', ব্যথার নীল কাব্য  অন্যতম যৌথগল্প গ্রন্থ:- 'গল্পের সিঁড়ি'যৌথছড়াগ্রন্থ:- ' ফুল-পাপড়ি'বইসমূহ ঘরে বসে পেতে গুগলে সার্চ দিন rokomari.com এছাড়া সরাসরি কথা বলুন সম্পাদক পলক রায় এর সাথে ০১৭৭৩২২২৯৩৬ নাম্বারে    
 বইটি পাঠকমহলে জনপ্রিয়তা পাবে বলে আশাবাদী সম্পাদক পলক রায়।