মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৭

মেয়েদের ফাঁদ শাহীনুর ইসলাম শাহীন























 মেয়েদের ফাঁদ
  শাহীনুর ইসলাম শাহীন

 আমি প্রায়ই আমার খুফাত ভাই নাদিরের এখানে আসা যাওয়া করতাম সে কাউতলীতে থাকিতএকদিন প্রায় দুপুর ১২টা দিকে বাড়ি ফিরবো, কাউতলীর মোড়ে আসিলাম - সি, এন,জির ড্রাইভার :- একজন - একজন, বিশ্বরোড, বিশ্বরোড... এমন সুন্দর সুযোগ! তারাতারী ই সি এন জি পেয়েগেলাম আস্তে আস্তে চলছে গাড়ি হাত উপরে উঠালাম দাঁড়ান, কাছে গিয়ে দেখি, সামনে ২ জন যুবক ২৫/৩০ বসরের বসা চেখারা ভালো করে দেখিনি এমন কি ড্রাইভার কে ও ভালো করে দেখলাম না , আর পিছনের সিটে ২ জন বোরকাপড়া মহিলা বসা, পিছনেই সিটে ই জায়গা ! বসলাম - তারা দু,জনার হাতে ২/৩ টা বিভিন্ন নামের " সেন্টের বোতল " স্প্রে ", একটা কোবরা, আরেকটা বেলী আর অন্যটা যেনো কি , একজন আরেকজন কে বলেছে তুকে বলেছি এইটা না - রেম্বু নেই! কথা তর্কা তর্কী করছে তারা, একজন মহিলা জিগ্যেস করিলো - ভাইজান কোথায় যাবেন..? আমি বললাম, - সরাইল সে আবার বলিল, আমরাও সরাইল যাবো.. থানার পাশেই আমাদের বাড়ি ভাইজান :- আপনিই বলেন, কোন বোতলের গন্ধটা ভালো ! আমি বললাম - আমি এই সবের ব্যাপারে ভালো ধারণা নাই, আমি স্প্রে ব্যবহার করি না মেয়েরা বললো :- আপনার ব্যবহার করতে শুধু একটু বিচার করুণ, কোনটা ভালো কোনটা খারাপ ! সি এন জি টা রেল গেইটা পার হচ্ছে... আবার একটা মহিলা বলছে- ভাই কি রাগ করেছেন ! নাহ্ রাগ করবো কেনো ? আপনি কি করেন ? বাহিরে ( সৌদিআরব ) থাকি আপনার ছেলেমেয়ে কয়জন..? আমি কথা বলছি না. বাহিরের দিকে তাকিয়ে আছি.. ওরা আবার সেই স্প্রে নিয়েই তর্ক শুরু করেছে , স্প্রে করছে গন্ধ টা এইটা ভালো! হঠাৎ আমার মুখের উপর স্প্রে করিলো..! আমি বললাম এইসব কি করছেন , একজন মহিলা বললো, - সরি ভাইজান ! কিন্তু আমার ত আস্তে আস্তে চোখ বন্দ হয়ে আসছে মাথাও কেমন যেনো ঝিম ঝিম করছে ...... চোখ খুলতেই চেয়ে দেখি ২ জন মহিলা সাদা পোশাকে ( নার্স ) একজন মহিলা বললো, ভাইয়া কেমন আছেন...! আমি বুঝে ও না বুঝার ভান ধরিলাম , কেনো কি হয়েছে...? আরে ভাই আপনাকে ২ জন লোকে হাসপাতালে ভর্তি করেগেছে, আপনি অজ্ঞান ছিলেন...! আমি একটু নীরব রইলাম, আর সেই সব কথা চিন্তা করলাম.. আমার মানিব্যাগ ( ৪/৫ হাজার ) টাকা ছিল, মোবাইল এবং ঘড়ি সবই নিয়া, আমাকে হাসপাতালে রেখে গেছে.....

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন