মেয়েদের ফাঁদ
শাহীনুর ইসলাম শাহীন
আমি প্রায়ই
আমার খুফাত ভাই নাদিরের এখানে আসা যাওয়া করতাম সে কাউতলীতে থাকিত। একদিন প্রায়
দুপুর ১২টা দিকে
বাড়ি ফিরবো, কাউতলীর মোড়ে আসিলাম - সি, এন,জির ড্রাইভার :- একজন - একজন,
বিশ্বরোড, বিশ্বরোড... এমন সুন্দর সুযোগ! তারাতারী ই সি এন জি
পেয়েগেলাম আস্তে আস্তে চলছে গাড়ি হাত উপরে উঠালাম দাঁড়ান, কাছে
গিয়ে দেখি, সামনে ২ জন যুবক ২৫/৩০ বসরের বসা চেখারা ভালো করে
দেখিনি এমন কি ড্রাইভার কে ও ভালো করে দেখলাম না , আর পিছনের সিটে ২ জন বোরকাপড়া মহিলা বসা, পিছনেই সিটে ই জায়গা ! বসলাম - তারা দু,জনার হাতে ২/৩
টা বিভিন্ন
নামের " সেন্টের বোতল " স্প্রে ", একটা কোবরা, আরেকটা বেলী
আর অন্যটা যেনো কি , একজন আরেকজন
কে বলেছে তুকে বলেছি এইটা না - রেম্বু নেই! কথা তর্কা তর্কী করছে তারা, একজন
মহিলা জিগ্যেস করিলো - ভাইজান
কোথায় যাবেন..? আমি বললাম,
- সরাইল সে আবার বলিল, আমরাও
সরাইল যাবো.. থানার পাশেই আমাদের বাড়ি । ভাইজান
:- আপনিই বলেন, কোন বোতলের
গন্ধটা ভালো ! আমি
বললাম - আমি এই সবের ব্যাপারে ভালো ধারণা নাই, আমি
স্প্রে ব্যবহার করি না । মেয়েরা বললো :-
আপনার ব্যবহার করতে শুধু একটু বিচার করুণ, কোনটা
ভালো কোনটা খারাপ ! সি
এন জি টা রেল গেইটা পার হচ্ছে... আবার একটা মহিলা বলছে- ভাই কি রাগ করেছেন ! নাহ্ রাগ করবো কেনো ? আপনি
কি করেন ? বাহিরে ( সৌদিআরব ) থাকি । আপনার
ছেলেমেয়ে কয়জন..? আমি কথা বলছি
না. বাহিরের দিকে
তাকিয়ে আছি.. ওরা
আবার সেই স্প্রে নিয়েই তর্ক শুরু করেছে , স্প্রে
করছে গন্ধ টা এইটা ভালো! হঠাৎ
আমার মুখের উপর স্প্রে করিলো..! আমি বললাম এইসব কি করছেন , একজন
মহিলা বললো, - সরি ভাইজান ! কিন্তু আমার ত আস্তে আস্তে চোখ
বন্দ হয়ে আসছে মাথাও কেমন যেনো ঝিম ঝিম করছে ...... চোখ খুলতেই চেয়ে দেখি ২ জন মহিলা সাদা পোশাকে ( নার্স ) একজন মহিলা বললো, ভাইয়া কেমন আছেন...! আমি বুঝে ও না বুঝার ভান ধরিলাম , কেনো কি হয়েছে...? আরে
ভাই আপনাকে ২ জন লোকে হাসপাতালে ভর্তি করেগেছে, আপনি
অজ্ঞান ছিলেন...! আমি
একটু নীরব রইলাম, আর সেই সব
কথা চিন্তা করলাম.. আমার
মানিব্যাগ ( ৪/৫ হাজার ) টাকা
ছিল, মোবাইল এবং ঘড়ি সবই নিয়া, আমাকে হাসপাতালে রেখে গেছে.....

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন