বিপ্লব বর্ধন বিপুল
আমি সেই হতভাগ্য যে
বাল্যকাল থেকেই স্নেহ ভালোবাসা
থেকে বঞ্চিত । যে আমাকে
সবচেয়ে বেশী ভালোবাসত সে
আমার সেজ বোন শিমু
- সুমি । আমার ৮
বছর বয়সে সে আমায়
ছেড়ে চলে যায় চিরতরে । তারপর আমার
পিতা ও চলে গেলেন
পরপারে । অবহেলা নিয়ে
আমি বেঁচে রইলাম এই পৃথিবীতে । স্বপ্নগুলো রয়ে
গেলো চোখের পাতায় গাঁথা । ছোটখাটো মানুষ
আমি বিপ্লব বর্ধন । আমার পিতা
মৃত পুকি বৈদ্য ছিলেন
একজন কৃষক । মাতা খেলা রানী
একজন গৃহীনি । তিন ভাই-বোনের
মধ্যে আমি সবার ছোট । আমার জন্ম
মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার
ভৈরবগঞ্জের মাজদিহিতে ১৯ মার্চ
১৯৯০ সালে । বাবা চলে
যাওয়ার পর পাঠশালা পাস
করে আর পড়া হয়নি । লেগে গেলাম কর্মে । ছোট বেলা
থেকেই গল্প উপন্যাস কবিতা
পড়তে ভালো লাগে । কিছু কিছু লিখতাম । হয়তো সহযোগিতা
পেলা ভালো লিখতে পারবো । আর্শিবাদ চাই সবার
থেকে । গল্প
কবিতা সামান্য লিখলেও এখনো প্রকাশ
হয়নি কোন লেখা । এখানেই প্রথম ।
/
না
বলা কথা
বিপ্লব বর্ধন
*************
মনে মনে কথা বলি,
প্রকাশ করি না!
//
অস্তিরতা হয়ে ক্লান্ত,
থেমে থাকি না!
//
জেগে জেগে রাত্রি গেলো,
নিদ্রা এলো না!
//
আসবে বলে স্বপ্ন চোঁখে,
সেও এলো না!
//
মিচামিচি কেঁদে গেলাম,
শান্ত হলাম না!
//
দৃষ্টি ফেরাতে গেলো দিন,
সময় আর এলো না!
বিপ্লব বর্ধন
*************
মনে মনে কথা বলি,
প্রকাশ করি না!
//
অস্তিরতা হয়ে ক্লান্ত,
থেমে থাকি না!
//
জেগে জেগে রাত্রি গেলো,
নিদ্রা এলো না!
//
আসবে বলে স্বপ্ন চোঁখে,
সেও এলো না!
//
মিচামিচি কেঁদে গেলাম,
শান্ত হলাম না!
//
দৃষ্টি ফেরাতে গেলো দিন,
সময় আর এলো না!
/
বিসর্যন আশা বিপ্লব বর্ধন
**************
কষ্টকে টবে রাখি,,
যথনও করিয়া!
সুখকে ঘিনা করি,,
দিলাম থাকে চারিয়া!
দূঃখ কে আপন ভেবে,,
নিলাম বুকে জরাইয়া!
আনন্দকে ফেলে দিলাম,,
দিলাম আমি থারাইয়া!
আশাকে বিসর্যন করলাম,,
দিলাম জলে ভাসাইয়া!
সব কিছু চিন্য করে,,
বুকে নিলাম জরাইয়া!
সব কিছু শেষ করে,,
গেলে তুমি হারাইয়া!
সব কিছু পেয়েও তুমি,,
দিলে আমায় তারাইয়া!
/
রক্ত জবা ফুল
বিপ্লব বর্ধন
***************
থাকাইয়া দেখিয়াছি চনছলের রুপ,
মূখের বদনখানি!!
অঙ্গে ফুঠিলো রক্ত জবা,
ফুঠিলো ফুল, পদ্দ খানি!!
আঁখিতে তাহার চাহনী কিছু,
থাহাতে কিছু চায়!
গতিটা কিন্তু সামনের দিকে,
পিছু,বার বার সে থাকায়!
গিয়াছে চলিয়া অনেক অনেক,
অনেক বহুদুর!!
শান্তকে ও অশান্ত করে,
করে দিলো মোরে চুর!!
আমিও হেটে যাই,
তার পিছু পিছু,সে তো বহুদূর.!
হটাৎ করে কি হয়িয়াছে,
বুজিনাই তো মোর!
আশার আলো জ্বালিয়ে দিয়াছে,
ভাঙ্গা কণা বালুর ঘর!!
তাহাকে না পাহিলে আবার,
ভাঙ্গিবে এই সেই ঘর!!
***************
/
ফুল
.....
বিপ্লব বর্ধন
........
বাগিচায় মালি ঘুমিয়ে ছিল
ফুটেছে নানা ফুল
চুপিসারে এগিয়ে গেলাম
তুলতে সুন্দর ফুল ।
নানা রকম ফুল দেখে
থমকে আছি দাড়িয়ে
সকল পুষ্প পেছনে রেখে
গেলাম আমি এরিয়ে ।
সর্বশেষে পছন্দ হল আমার
লাল গোলাপ ফুল
এটাই বুঝি ছিল আমার
মস্ত বড় ভুল ।
তুলতে গিয়ে ধরলাম আমি
সেই গোলাপের ডাটা
হাতে জািন কী হলো
বিধঁলো বুঝি কাঠা ।
ফিনকী দিয়ে ঝরছে হাতে
ঘন লাল রক্ত
এর চেয়ে হচ্ছে বেশী
মোর হৃদয় বিক্ষত ।
/
বাবার স্নেহ
বিপ্লব বর্ধন
বাবা তুমি কেমন আছো,
আছো কেমন করে!
আমার আজও ইচ্ছা জাগে,
তোমায়,দেখি দুচোখ ভরে!
বাবা তুমি এতো পাষাণ,
হলে কেমন করে!
স্বপ্নে এসে দাওনা দেখা,
এই হৃদয়ের তরে!
বাবা তুমি ছিলে আপন,
হৃদয়ের গভীরে!
আজ তুমি লুকিয়ে আছো,
ঊন্নিছ টি বৎসর ধরে!
এই জীবন লাগেনা ভালো!,
এসে পৃথিবীর স্তরে!
আশায় থাকি থাকবো আমি,
নয়তো যাবো ঝরে!
সেইদিন হয়তো থাকবো বাবা,
তুমি আমি একি ঘড়ে!

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন