শুক্রবার, ৩১ মার্চ, ২০১৭

গোধুলী লগ্নে রুমঝুম বৃষ্টি ফারজানা ফায়েয ফারাহ



















গোধুলী লগ্নে রুমঝুম বৃষ্টি
ফারজানা ফায়েয ফারাহ
 
হটাৎ করে সন্ধ্যা বেলায়,
গুর গুরিয়ে বৃষ্টি এলো।
ঢাক গুর গুর মেঘের ডাকে
পাগলা হাওয়া আনছে বয়ে।

" থমকে থমকে বিজলী খেলে,
খেলে হৃদয় মা,মেয়েতে
বিজলীর ঐ সেই চমকে।
পাগলামিতে মন মেতে যায়,
শান্ত হয়না মন দুজনার।
দুষ্টুমি তে মাতলাম হেসে,
Toom & Jerry...... মা,মেয়েতে।

আর ছিল সেই মায়াবী সন্ধ্যা।
বটের শিকড় ছুঁয়ে জ্বলের কলকল,
বুকের ভিতর খুশীর সূর বাজছে,
করছে টলমটল।

এত হাসি, এত খুশী,
এত দুষ্টুমি দুজনার।
ওগো বৃষ্টি তুমি কি জানো?
এ সব ই কেবল শুধুই তোমার ছোঁয়া তে।

মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০১৭

আমার দেশ ------রিটন চাকমা



















আমার দেশ
------রিটন চাকমা

দেশ আমার মাটি আমার
দেশ আমার খাঁটি,
মনে আমার প্রাণে আমার
সোনা আমার মাটি।


রক্তে তুমি অনুভবে তুমি
তুমি আমার গানে,
বদ্ধ বাসি বদ্ধ ভালো
বাঁচি তোমার টানে।

আকাশ আমার বাতাস আমার
তোমার যে আমি,
তোমার মাটি তোমার হাওয়া
সোনার চেয়ে দামি।

আমি বীর তোমার সন্তান
করোনা গো ভয়,
যত শত্রু যত আসুক বাধা
আমি করব জয়।

পিরিয়ড মুন্সি দরুদ




















পিরিয়ড
মুন্সি দরুদ

অন্তর্বাসের ভিতরে ন্যাপকিন ছিলো না
পিরিয়ড়ে অসম্ভব দুর্গন্ধ !
ছিঃ ছিঃ বলো না
লজ্জা করো না
পুরুষের হস্তমৈথন, নারীর পিরিয়ড
শরীর মোচন ।
লজ্জার কিছুই নাই
এ তো শরীরের পিরিয়ড ।

--- মুন্সি দরুদ
না কবিতা
২১/০১/১৭ > ০১:১৫ pm
বিঃদ্রঃ - বাসর রা‌তে পিস্টন আপ ডাউন কর‌তে লজ্জা লা‌গে না । লজ্জা সব এই কবিতার জায়গায়!

রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০১৭

জঙ্গি মাহমুদ পারভেজ


















জঙ্গি
মাহমুদ পারভেজ

শক্তিশালী বোমায়
জঙ্গি মারবে তোমায়
জঙ্গি কামেল মাস্তানা
সবখানে তার আস্তানা

জঙ্গি হামলায় কি হত?
কেউ তো হতো নিহত
কেউবা হতো আহত
যা হবার আজ তা হত।
তা ছিলো কি হবার?
জঙ্গি শত্রু সবার
ওদের রুখো সবে
জঙ্গিমুক্ত হবে।

পাঠক কই মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান




















পাঠক কই
মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান
-
পাঠক কই!
এখন দেখি শত কবি
করছে প্রকাশ বই?


নেইতো পাঠক বেশি লেখক
লিখছে এখন সবে
কেউ বুঝেনা লিখতে হলে
পাঠক হতে হবে।

ক্রয় করিতে বই স্টলে
ভীর ক'জনার হয়
মাগনা পেতে সবাই এখন
শুধু বসে রয়।

আপন টাকায় ক্রয় করিয়ে
পড়ছো তুমি কই
আগে ভালো পাঠক সাঁঝুন
করবে পড়ে বই।

বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ, ২০১৭

ভয় শ্যামল বণিক অঞ্জন













 ভয়
শ্যামল বণিক অঞ্জন

মাঝে মাঝে ভীষণ ভয় হয়।
অজানা শঙ্কায় কুঁকড়ে যাই আমি।
বুকের অন্তগহীনে ধকধক করে
নিদারুণ অস্থীরতায় আমি যেন নূয়ে পড়ি,
হেরে যাই নিজের কাছেই নিজে
অগোচরে,নিভৃতে।
দেখতে ইচ্ছে করেনা রঙিন পৃথিবীর মায়াবী আলো,
রুদ্ধ করে রাখি জানালাটা আমার জীর্ণ ঘরের।
বৃৃথা লাগে মোহ, আকাঙ্খা, কামনার অমৃত সুধাটাও তিক্ত লাগে খুব।
স্পর্শ করিনা অন্ন জল,
আর প্রেয়সীর ঘামে ভেজা নরম শরীর।

বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০১৭

দ্বীনের পথে থাক মিশে মিলাদ খান



















দ্বীনের পথে থাক মিশে
মিলাদ খান

রাত্রী শেষে দিন আসে
আপন স্বজন আছে পাশে
দ্বীনের পথে থাক মিশে
তোমার প্রতিটি নিঃশ্বাসে।


নিজের হিসাব হালকা কর
যেথে হবে কবর দেশে
কি কারণে আসলেরে মন?
ভাব একবার একা বসে।

এই ভূবনে কে পাঠাইলো
আসলা তুমি কার আদেশে
তারে তুমি স্বরণ কর
ভালো করে মনে পুষে।

যদি ভুলে জীবন চলে
পাড় পাবেনা তুমি হেসে
থাকতে সময় ভাবরে মন
সুখ আসে কাঁন্না শেষে।

কবি বিপ্লব বর্ধন বিপুল এর কবিতা






















বিপ্লব বর্ধন বিপুল
আমি সেই হতভাগ্য যে বাল্যকাল থেকেই স্নেহ ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত যে আমাকে সবচেয়ে বেশী ভালোবাসত সে আমার সেজ বোন শিমু - সুমি আমার বছর বয়সে সে আমায় ছেড়ে চলে যায় চিরতরে তারপর আমার পিতা চলে গেলেন পরপারে অবহেলা নিয়ে আমি বেঁচে রইলাম এই পৃথিবীতে স্বপ্নগুলো রয়ে গেলো চোখের পাতায় গাঁথা ছোটখাটো মানুষ আমি বিপ্লব বর্ধন আমার পিতা মৃত পুকি বৈদ্য ছিলেন একজন কৃষক মাতা খেলা রানী একজন গৃহীনি তিন ভাই-বোনের মধ্যে আমি সবার ছোট আমার জন্ম মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার ভৈরবগঞ্জের মাজদিহিতে ১৯ মার্চ ১৯৯০ সালে বাবা চলে যাওয়ার পর পাঠশালা পাস করে আর পড়া হয়নি লেগে গেলাম কর্মে ছোট বেলা থেকেই গল্প উপন্যাস কবিতা পড়তে ভালো লাগে কিছু কিছু লিখতাম হয়তো সহযোগিতা পেলা ভালো লিখতে পারবো আর্শিবাদ চাই সবার থেকে গল্প কবিতা সামান্য লিখলেও এখনো প্রকাশ হয়নি কোন লেখা এখানেই প্রথম
/
না বলা কথা
বিপ্লব বর্ধন
*************
মনে মনে কথা বলি,
প্রকাশ করি না!
//
অস্তিরতা হয়ে ক্লান্ত,
থেমে থাকি না!
//
জেগে জেগে রাত্রি গেলো,
নিদ্রা এলো না!
//
আসবে বলে স্বপ্ন চোঁখে,
সেও এলো না!
//
মিচামিচি কেঁদে গেলাম,
শান্ত হলাম না!
//
দৃষ্টি ফেরাতে গেলো দিন,
সময় আর এলো না!
/
বিসর্যন আশা
বিপ্লব বর্ধন
**************
কষ্টকে টবে রাখি,,
যথনও করিয়া!
সুখকে ঘিনা করি,,
দিলাম থাকে চারিয়া!
দূঃখ কে আপন ভেবে,,
নিলাম বুকে জরাইয়া!
আনন্দকে ফেলে দিলাম,,
দিলাম আমি থারাইয়া!
আশাকে বিসর্যন করলাম,,
দিলাম জলে ভাসাইয়া!
সব কিছু চিন্য করে,,
বুকে নিলাম জরাইয়া!
সব কিছু শেষ করে,,
গেলে তুমি হারাইয়া!
সব কিছু পেয়েও তুমি,,
দিলে আমায় তারাইয়া!
/
রক্ত জবা ফুল
বিপ্লব বর্ধন
***************
থাকাইয়া দেখিয়াছি চনছলের রুপ,
মূখের বদনখানি!!
অঙ্গে ফুঠিলো রক্ত জবা,
ফুঠিলো ফুল, পদ্দ খানি!!

আঁখিতে তাহার চাহনী কিছু,
থাহাতে কিছু চায়!
গতিটা কিন্তু সামনের দিকে,
পিছু,বার বার সে থাকায়!

গিয়াছে চলিয়া অনেক অনেক,
অনেক বহুদুর!!
শান্তকে অশান্ত করে,
করে দিলো মোরে চুর!!

আমিও হেটে যাই,
তার পিছু পিছু,সে তো বহুদূর.!
হটাৎ করে কি হয়িয়াছে,
বুজিনাই তো মোর!

আশার আলো জ্বালিয়ে দিয়াছে,
ভাঙ্গা কণা বালুর ঘর!!
তাহাকে না পাহিলে আবার,
ভাঙ্গিবে এই সেই ঘর!!
***************
/
ফুল
.....
বিপ্লব বর্ধন
........
বাগিচায় মালি ঘুমিয়ে ছিল
ফুটেছে নানা ফুল
চুপিসারে এগিয়ে গেলাম
তুলতে সুন্দর ফুল
নানা রকম ফুল দেখে
থমকে আছি দাড়িয়ে
সকল পুষ্প পেছনে রেখে
গেলাম আমি এরিয়ে
সর্বশেষে পছন্দ হল আমার
লাল গোলাপ ফুল
এটাই বুঝি ছিল আমার
মস্ত বড় ভুল
তুলতে গিয়ে ধরলাম আমি
সেই গোলাপের ডাটা
হাতে জািন কী হলো
বিধঁলো বুঝি কাঠা
ফিনকী দিয়ে ঝরছে হাতে
ঘন লাল রক্ত
এর চেয়ে হচ্ছে বেশী
মোর হৃদয় বিক্ষত
/
বাবার স্নেহ
বিপ্লব বর্ধন
বাবা তুমি কেমন আছো,
আছো কেমন করে!
আমার আজও ইচ্ছা জাগে,
তোমায়,দেখি দুচোখ ভরে!

বাবা তুমি এতো পাষাণ,
হলে কেমন করে!
স্বপ্নে এসে দাওনা দেখা,
এই হৃদয়ের তরে!

বাবা তুমি ছিলে আপন,
হৃদয়ের গভীরে!
আজ তুমি লুকিয়ে আছো,
ঊন্নিছ টি বৎসর ধরে!

এই জীবন লাগেনা ভালো!,
এসে পৃথিবীর স্তরে!
আশায় থাকি থাকবো আমি,
নয়তো যাবো ঝরে!
সেইদিন হয়তো থাকবো বাবা,
তুমি আমি একি ঘড়ে!

একটু হাসি

মেয়ে: আমি তোকে ছেড়ে অনেক দূরে চলে যাবো.....
ছেলে : চুপ থাক.....
মেয়ে : তুই কথায় কথায় বলিস আমাকে ভালবাসিস না.....
ছেলে : চুপ থাক.....
মেয়ে : হু.. এখন তো আমার কথাও শুনতে ভাল লাগেনা...
ছেলে : চুপ থাকতে বলসি নইলে কানের নিচে একটা দিব.....
মেয়ে : দে.. ওইটাই দে.....
ভালোবাসা তো দিবিনা.....
কানের নিচেই দে.....
ছেলে : চুপ করবি নাকি সত্যি লাগাব ??
মেয়ে : মেরে ফেল আর কতো কষ্ট দিবি ??
ছেলে : আমি তোরে কষ্ট দেই??
মেয়ে : হু দেস.....
ছেলে : তাহলে চলে যা দূরে.. আর কষ্ট পেতে হবেনা.....
মেয়ে : সেটাই তো চাস যে আমি দূরে চলে যাই.....
ছেলে : হু যা ভাগ তুই.....
মেয়ে : রাগ উঠতেছে কিন্তু......
ছেলে : ওইটার অপেক্ষায় তো আসি.....
মেয়ে : মানে??
ছেলে : মানে রাগলে তোকে অনেক সুন্দর লাগে.....
মন চায় বুকে চেপে ধরে রাখি অনন্ত কাল.....
মেয়ে : তুই এতো ফাজিল কেন?
ছেলে : তুই এতো ভাল তাই আমি এতো ফাজিল.....
এখন চুপ করে মাথা রেখে ঘুমা.....
আমি তোর নিঃশ্বাস শুনি.....
মন্তব্য জানাতে ভুলবেন না

কখন চাইনি এই স্বাধীনতা মোঃ মিনারুল ইসলাম




















কখন চাইনি এই স্বাধীনতা
মোঃ মিনারুল ইসলাম

দেখলে তাদের মুখ,
কেপে উঠে এই বুক।
কতযে অসহায় তারা,
বুকে চেপে ব্যাথা যন্ত্রনা।
আর কত অশ্রু ঝরাবে,
আর কত ব্যাথায় ভরাবে।
পারবেনা তারা মেনে নিতে।
জেগে উঠবে তারা আবার।
যে ভাবে উঠেছে জেগে,
সালাম রফিক জব্বার।
সে দিন পালাবে কোথায়,
ভেবে দেখো একবার।
দেশ আমার স্বাধীনতা।
কেন এই পরাধীনতা?
কেন এই জুলুম অত্যাচার?
শাসন নামের অবিচার।
এতো আর মানা যায়না,
এতো আর প্রানে সয়না।
মা তুমি তোমার হাতে,
আমায় একটি অস্ত্র দাও।
নয়তো আমার জীবন,
নিজ হাতে নিয়ে নাও।
তবুও পারিনা দেখতে আর,
পাষানের এই ব্যাভিচার।
নিরাকার কান্নার আওয়াজ,
পথ শিশুর আহাকার,
নারী ধর্ষনের চিৎকার।
ইয়া আল্লাহ বলে দাও,
নয়তো ফিরিয়ে দাও।
যারা স্বাধীনতা এনেছে,
এ কেমন স্বাধীনতা।
কখন চাইনি এ স্বাধিনতা।