লেখা আগে জমা দেওয়ার ভিত্তিতে মা কে নিয়ে লেখালেখি প্রতিযোগিতার ১ম ফল প্রকাশঃ-
মাগো, তোমার মত কেহ
মুছে না চোখের পানি,
আদর করে নেয় না কেহ
আমায় বুকেতে টানি।
মাগো,আদর করে কেহ
বুলায় না মাথে হাত,
অসুখ হলে শিয়রে কেউ
থাকে না সারারাত।
ক্ষনিকের লাগি রাতে হায়
দূরে কোথাও গেলে,
আমার আশে কেউ থাকে না
ঘরের দুয়ার মেলে।
রাত দুপুরে কেউ থাকে না
টেবিলে খাবার লই,
থাকলে দূরে কেউ বলে না
আছিস রে খোকা কই?
মন্টা দিয়ে পড় রে খোকা
দুষ্টুমি এবার ছাড়,
বকা দিয়ে আদর আমায়
কেহ করে না আর।
কতদিন দেখি না মাগো
তোমার মায়াবী মুখ,
তোমার কথা মনে করে
আজি ঝরে দু চোখ।
রচনাঃ- ১৩/০৫/২০১৮ ইং বিকাল-৫:২২
সকাল হলে সবার আগে
মা,য়ে উঠে ভোরে
রাঙা প্রভাত হেসে উঠে
আমার মায়ের ক্রোড়ে।
আদর করে যতন করে
রাখে আমায় মনে
সবার মুখে মজার খাবার
তুলে প্রতি-ক্ষণে।
বিপদ হলে সবার আগে
মা,য়ে খবর জানে
বৃক্ষ-লতা মানব-জাতি
মায়ের কথা মানে।
মায়ের দুঃখে মায়ের সুখে
পাশে থাকবো সবে
শিক্ষা-দীক্ষায় আসল রূপে
সোনার মানুষ হবে।
মায়ের জন্য লিখবনা
কবিতা আর গান
মা আছেন অন্তর জুড়ে
হৃদপিন্ডের সমান
শুধু অন্তর থেকে
শ্রদ্ধা জানাই মাকে
আমার জন্য মায়ের যেন
দোয়াটুকু থাকে
৩০,রাজাবাড়ি, সাভার,ঢাকা-১৩৪০
১।মায়ের পায়ে
হাত বুলালে
তাহমীদ আবরার
আমার মায়ের পদতলে স্বর্গ খুঁজে পাই,
ভাবতে এখন কষ্ট লাগে মা যে আমার নাই।
মায়ের পায়ে হাত বুলালে লাগতো মনে সুখ,
মায়ের দোয়ার বরকতে সব মুছে যেত দুঃখ।
আজকে যখন মাকে খুঁজি, খুঁজি মায়ের পা,
আকাশ-পাতাল ভেঙ্গে পড়ে শিউরে উঠে গা।
মা যে আমার কবর দেশে ঘুমিয়ে আছেন ঠাঁই,
মাকে পাওয়ার অভিলাষে কবর পানেই যাই।
মায়ের কবর ধরে আমি বলি প্রভুর কাছে,
মাফ করে দাও মায়ের যত গুনাখাতা আছে।
আমার মায়ের যত গুনাহ্ মাফ করে দাও তুমি,
দয়াল নবীর কদম যেন নিতে পারেন চুমি।
হাশর দিনে আবার যেন মায়ের দেখা মিলে
নিত্য দিনের প্রার্থনা এই আমার ছহী দীলে।
তাহমীদ আবরার
আমার মায়ের পদতলে স্বর্গ খুঁজে পাই,
ভাবতে এখন কষ্ট লাগে মা যে আমার নাই।
মায়ের পায়ে হাত বুলালে লাগতো মনে সুখ,
মায়ের দোয়ার বরকতে সব মুছে যেত দুঃখ।
আজকে যখন মাকে খুঁজি, খুঁজি মায়ের পা,
আকাশ-পাতাল ভেঙ্গে পড়ে শিউরে উঠে গা।
মা যে আমার কবর দেশে ঘুমিয়ে আছেন ঠাঁই,
মাকে পাওয়ার অভিলাষে কবর পানেই যাই।
মায়ের কবর ধরে আমি বলি প্রভুর কাছে,
মাফ করে দাও মায়ের যত গুনাখাতা আছে।
আমার মায়ের যত গুনাহ্ মাফ করে দাও তুমি,
দয়াল নবীর কদম যেন নিতে পারেন চুমি।
হাশর দিনে আবার যেন মায়ের দেখা মিলে
নিত্য দিনের প্রার্থনা এই আমার ছহী দীলে।
২। কতদিন
দেখি না মাগো
আহমেদ কবির
আহমেদ কবির
মাগো, তোমার মত কেহ
মুছে না চোখের পানি,
আদর করে নেয় না কেহ
আমায় বুকেতে টানি।
মাগো,আদর করে কেহ
বুলায় না মাথে হাত,
অসুখ হলে শিয়রে কেউ
থাকে না সারারাত।
ক্ষনিকের লাগি রাতে হায়
দূরে কোথাও গেলে,
আমার আশে কেউ থাকে না
ঘরের দুয়ার মেলে।
রাত দুপুরে কেউ থাকে না
টেবিলে খাবার লই,
থাকলে দূরে কেউ বলে না
আছিস রে খোকা কই?
মন্টা দিয়ে পড় রে খোকা
দুষ্টুমি এবার ছাড়,
বকা দিয়ে আদর আমায়
কেহ করে না আর।
কতদিন দেখি না মাগো
তোমার মায়াবী মুখ,
তোমার কথা মনে করে
আজি ঝরে দু চোখ।
রচনাঃ- ১৩/০৫/২০১৮ ইং বিকাল-৫:২২
৩।মায়ের ভালোবাসা
তুষার কুমার সাহা
বৃষ্টি পরে খোকা ঘরে
করছে ভীষণ কান্না।
মা যে খোকার আসছে দৌড়ে
ফেলে দিয়ে রান্না।
মা যে বলে কি হয়েছে?
এই তো সোনা আমি।
আর করে না কান্না খোকা
তুমি সবার দামি।
আকাশ দেখো কান্না করে
তোমার মতো খোকা।
বলো খোকা আমি ভালো
আকাশ হলো বোকা।
শুনো খোকা গুড়ুম গুড়ুম
আকাশ দেখো ডাকে।
এই তো খোকা তোমার পাশে
ডাকো কেন মাকে?
তুমি আমার সোনার ছেলে
সাতটি রাজার ধন।
তোমার জন্য দিতে পারি
আমার জীবন,মন।
ঠিকানা:মাধবদী,নরসিংদী
তুষার কুমার সাহা
বৃষ্টি পরে খোকা ঘরে
করছে ভীষণ কান্না।
মা যে খোকার আসছে দৌড়ে
ফেলে দিয়ে রান্না।
মা যে বলে কি হয়েছে?
এই তো সোনা আমি।
আর করে না কান্না খোকা
তুমি সবার দামি।
আকাশ দেখো কান্না করে
তোমার মতো খোকা।
বলো খোকা আমি ভালো
আকাশ হলো বোকা।
শুনো খোকা গুড়ুম গুড়ুম
আকাশ দেখো ডাকে।
এই তো খোকা তোমার পাশে
ডাকো কেন মাকে?
তুমি আমার সোনার ছেলে
সাতটি রাজার ধন।
তোমার জন্য দিতে পারি
আমার জীবন,মন।
ঠিকানা:মাধবদী,নরসিংদী
৪। মায়ের আদর
রমজান আলী রনি
রমজান আলী রনি
সকাল হলে সবার আগে
মা,য়ে উঠে ভোরে
রাঙা প্রভাত হেসে উঠে
আমার মায়ের ক্রোড়ে।
আদর করে যতন করে
রাখে আমায় মনে
সবার মুখে মজার খাবার
তুলে প্রতি-ক্ষণে।
বিপদ হলে সবার আগে
মা,য়ে খবর জানে
বৃক্ষ-লতা মানব-জাতি
মায়ের কথা মানে।
মায়ের দুঃখে মায়ের সুখে
পাশে থাকবো সবে
শিক্ষা-দীক্ষায় আসল রূপে
সোনার মানুষ হবে।
৫।মায়ের
জন্য
খোদেজা মাহবুব আরা
খোদেজা মাহবুব আরা
মায়ের জন্য লিখবনা
কবিতা আর গান
মা আছেন অন্তর জুড়ে
হৃদপিন্ডের সমান
শুধু অন্তর থেকে
শ্রদ্ধা জানাই মাকে
আমার জন্য মায়ের যেন
দোয়াটুকু থাকে
৩০,রাজাবাড়ি, সাভার,ঢাকা-১৩৪০
৬।মায়ের দোয়া
মোঃ হাসু কবির
মা তুমি কি দিয়ে গড়া
ভাবি একা বসে
তোমার ভালবাসার মাঝে কি
যাদু আছে মিশে।
শত দুঃখের মাঝে নেই মা
ভালবাসার যে কমতি
সমান তোমার ভালবাসা দেও
সকল সন্তানের প্রতি।
জেনে শুনে না বুঝে মা
দিয়েছি তোমায় কষ্ট
সব ভুলে করিও দোয়া
করো না কামনা অনিষ্ট।
মা তোমার দোয়ায় বিপদমুক্ত
এ বিশ্বাস মনে আছে
কাছে দুরে থাকলেও
থাকো মোর সাথে মিশে।
মায়ের অভিশাপে জীবন নষ্ট
এ বিশ্বাস মনে রাখি
মা তোমার সেবা করতে দিও
যতদিন বেঁচে থাকি।
পরিশেষে মা তোমার কাছে
করে যাব আবদার
সুখে দুঃখে যেভাবেই থাকি
অনুমতি দিও সেবার।
কালিয়াকৈড়, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।
মোঃ হাসু কবির
মা তুমি কি দিয়ে গড়া
ভাবি একা বসে
তোমার ভালবাসার মাঝে কি
যাদু আছে মিশে।
শত দুঃখের মাঝে নেই মা
ভালবাসার যে কমতি
সমান তোমার ভালবাসা দেও
সকল সন্তানের প্রতি।
জেনে শুনে না বুঝে মা
দিয়েছি তোমায় কষ্ট
সব ভুলে করিও দোয়া
করো না কামনা অনিষ্ট।
মা তোমার দোয়ায় বিপদমুক্ত
এ বিশ্বাস মনে আছে
কাছে দুরে থাকলেও
থাকো মোর সাথে মিশে।
মায়ের অভিশাপে জীবন নষ্ট
এ বিশ্বাস মনে রাখি
মা তোমার সেবা করতে দিও
যতদিন বেঁচে থাকি।
পরিশেষে মা তোমার কাছে
করে যাব আবদার
সুখে দুঃখে যেভাবেই থাকি
অনুমতি দিও সেবার।
কালিয়াকৈড়, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।
৭।ই জননীর প্রতি
মুজাহিদুল ইসলাম স্বাধীন
.
যার গর্ভে ছিলাম আমি
দশ মাস দশ দিন,
আজীবনেও শোধ হবে না
কখনো যার ঋণ।
.
যার পায়েতে জান্নাত আমার
মহানবীর ভাষায়,
যার মুখটা আমার মনের
সব ক্লান্তি নাশায়।
.
যাকে আমি নেক নজরে
বারেক যদি দেখি,
আল্লাহ দেবেন আমলনামায়
কবুল হজ্বের নেকি।
.
যার দোয়াটা থাকলে কাছে
হবে নাকো ক্ষতি,
আমার সকল ভালোবাসা
সেই জননীর প্রতি।
হলিধানী, ঝিনাইদহ সদর, ঝিনাইদহ
মুজাহিদুল ইসলাম স্বাধীন
.
যার গর্ভে ছিলাম আমি
দশ মাস দশ দিন,
আজীবনেও শোধ হবে না
কখনো যার ঋণ।
.
যার পায়েতে জান্নাত আমার
মহানবীর ভাষায়,
যার মুখটা আমার মনের
সব ক্লান্তি নাশায়।
.
যাকে আমি নেক নজরে
বারেক যদি দেখি,
আল্লাহ দেবেন আমলনামায়
কবুল হজ্বের নেকি।
.
যার দোয়াটা থাকলে কাছে
হবে নাকো ক্ষতি,
আমার সকল ভালোবাসা
সেই জননীর প্রতি।
হলিধানী, ঝিনাইদহ সদর, ঝিনাইদহ
৮।তুমিই স্বর্গ, তুমিই নরক
রিয়াজ মাহমুদ
তুমি ঠাঁই দিয়েছ গর্ভে সয়েছ জ্বালা কত,
ঘুম পড়াতে গিয়ে তুমি নিঘুম কাটিয়েছ রাত শত।
টেনে তুলে বুকে করেছ আদর, শাসন করেছ নিজ হাতে,
ক্ষুধার যন্ত্রণা সয়েছ তুমি দিয়েছ আমায় খেতে।
দিয়েছেন প্রভু কতযে প্রেম তোমারি ওই বুকে,
কাটিয়ে দাও সারাটি জীবন সন্তানেরই সুখে।
মমতাময়ী জননী ওগো স্বর্গ আমার তোমারি চরণে,
কী অসীম সুখ আঁচলে তোমার তৃপ্তি আসে স্মরণে।
তুমিই স্বর্গ, তুমিই নরক তোমাতেই পাই সব,
তুমি মিষ্ট সুরে ডাকা ঘুম ভাঙানো পাখির কলরব।
তোমায় পুজিলে মিলে স্বর্গ নরক আসে তোমারি শাপে,
স্বর্গ হারা আমি পাইনে দিশে মরি হায় এই পরিতাপে
আজো বুকের মাঝে বেজে ওঠে করুণ বীনার সুর,
না জানি জননী আজ কাঁদ কোথায়, কতদূর ?
বন্দর, চট্টগ্রাম।
রিয়াজ মাহমুদ
তুমি ঠাঁই দিয়েছ গর্ভে সয়েছ জ্বালা কত,
ঘুম পড়াতে গিয়ে তুমি নিঘুম কাটিয়েছ রাত শত।
টেনে তুলে বুকে করেছ আদর, শাসন করেছ নিজ হাতে,
ক্ষুধার যন্ত্রণা সয়েছ তুমি দিয়েছ আমায় খেতে।
দিয়েছেন প্রভু কতযে প্রেম তোমারি ওই বুকে,
কাটিয়ে দাও সারাটি জীবন সন্তানেরই সুখে।
মমতাময়ী জননী ওগো স্বর্গ আমার তোমারি চরণে,
কী অসীম সুখ আঁচলে তোমার তৃপ্তি আসে স্মরণে।
তুমিই স্বর্গ, তুমিই নরক তোমাতেই পাই সব,
তুমি মিষ্ট সুরে ডাকা ঘুম ভাঙানো পাখির কলরব।
তোমায় পুজিলে মিলে স্বর্গ নরক আসে তোমারি শাপে,
স্বর্গ হারা আমি পাইনে দিশে মরি হায় এই পরিতাপে
আজো বুকের মাঝে বেজে ওঠে করুণ বীনার সুর,
না জানি জননী আজ কাঁদ কোথায়, কতদূর ?
বন্দর, চট্টগ্রাম।
৯।মাগো
মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
তাং-১৩/০৫/২০১৮ ইং
মা-যে আমার গর্ভধাত্রী
মা-যে আমার আলো,
মায়ের মুখে হাসি দেখে
হারায় সকল কালো।
সন্তান বুড়ো হলেও জানি
মায়ের কাছে খোকা,
মায়ের কথা শুনতে গিয়ে
পায়নি কভু ধোঁকা।
মা'কে হারিয়ে কাঁদে মন
কাঁদে আমার পাড়া,
পাঁচটি বছর থেকে আমি
মা ডাকটি ছাড়া।
আমায় ছেড়ে মাগো তুমি
কোথায় চলে গেলে,
তোমার জন্য আজও আমার
ভাসে আঁখি জলে।
তোমার জন্য প্রভুর দ্বারে
করছি আমি দোয়া,
তোমায় যেন দেয় গো প্রভু
জান্নাতের'ই ছোঁয়া।
রচনাঃ- ১৩/০৫/২০১৮ ইং
ভূরুঙ্গামারী,কুড়িগ্রাম।
১০।মা
এম.হাবিবুর রহমান হাবিব
এই দুনিয়ায় দৃষ্টি মেলে 'মা'কেই প্রথম দেখি
'মা' ডাকেতে পরাণ জুড়ায় জুটে অনেক নেকী,
কান্না-হাসির প্রথম বুলি ফোটে মায়ের কোলে
মহাসুখে দোল খেয়েছি কোল দোলনা দোলে।
স্তন্যদায়ীর অন্নদান আর পাহাড় সমান স্নেহ
এই দুনিয়ায় মায়ের মতো নাই যে আপন কেহ।
নেক নজরে মায়ের মুখে বারেক যদি চাই
এক নজরে কবুল হজ্বের অনেক নেকী পাই।
'মা'খাঁটি,মমতা খাঁটি,খাঁটি মায়ের মন
মায়ের ভালোবাসা পেতে কাঁদে সর্বজন।
পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ।
মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
তাং-১৩/০৫/২০১৮ ইং
মা-যে আমার গর্ভধাত্রী
মা-যে আমার আলো,
মায়ের মুখে হাসি দেখে
হারায় সকল কালো।
সন্তান বুড়ো হলেও জানি
মায়ের কাছে খোকা,
মায়ের কথা শুনতে গিয়ে
পায়নি কভু ধোঁকা।
মা'কে হারিয়ে কাঁদে মন
কাঁদে আমার পাড়া,
পাঁচটি বছর থেকে আমি
মা ডাকটি ছাড়া।
আমায় ছেড়ে মাগো তুমি
কোথায় চলে গেলে,
তোমার জন্য আজও আমার
ভাসে আঁখি জলে।
তোমার জন্য প্রভুর দ্বারে
করছি আমি দোয়া,
তোমায় যেন দেয় গো প্রভু
জান্নাতের'ই ছোঁয়া।
রচনাঃ- ১৩/০৫/২০১৮ ইং
ভূরুঙ্গামারী,কুড়িগ্রাম।
১০।মা
এম.হাবিবুর রহমান হাবিব
এই দুনিয়ায় দৃষ্টি মেলে 'মা'কেই প্রথম দেখি
'মা' ডাকেতে পরাণ জুড়ায় জুটে অনেক নেকী,
কান্না-হাসির প্রথম বুলি ফোটে মায়ের কোলে
মহাসুখে দোল খেয়েছি কোল দোলনা দোলে।
স্তন্যদায়ীর অন্নদান আর পাহাড় সমান স্নেহ
এই দুনিয়ায় মায়ের মতো নাই যে আপন কেহ।
নেক নজরে মায়ের মুখে বারেক যদি চাই
এক নজরে কবুল হজ্বের অনেক নেকী পাই।
'মা'খাঁটি,মমতা খাঁটি,খাঁটি মায়ের মন
মায়ের ভালোবাসা পেতে কাঁদে সর্বজন।
পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ।

এটা কোন নিয়ম হলো?আগে দিয়েছে বলে?
উত্তরমুছুন