
আজ ১৮-১০-১৭ তারিখ তরুণ,
মেধাবী,
আগামী
সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র কবি ও ছড়াকার পলক রায় এর শুভ জন্মদিন । সাহিত্য
জগতে পলক রায় নামে পরিচিত হলেও কবির আসল নাম নেপাল চন্দ্র রায়। পিতা-অনিল
চন্দ্র রায়। মাতা-শ্যামলা
রাণী রায়। জন্ম : ১৮
অক্টোবর ১৯৯৪ সালে ঠাকুরগাঁও জেলার
ঠাকুরগাঁও থানার অর্ন্তগত শিবগঞ্জ ডাকঘরের সারালী গ্রামে জন্মগ্রহণ
করেন। কবি তিন ভাই বোনের মধ্যে দ্বিতীয়। কবি সারালী ব্র্যাক স্কুল থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়ে
মাদারগঞ্জ এম.বি উচ্চ বিদ্যালয়ে
৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হন। সেখান
থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এস.এস.সি ২০১০ সালে
পরীক্ষায় জিপিএ ৫.০০ পেয়ে ঠাকুরগাঁও সরকারী কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হন। উক্ত
কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচ.এস.সি পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হন
২০১২
সালে। বর্তমানে হাজী মোহাম্মদ দ্বানেশ বিজ্ঞান
ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধিভুক্ত শহীদ
আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ এ কম্পিউটার
সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে অধ্যয়নরত আছেন। তাঁর লেখা প্রথম প্রকাশিত
হয় দৈনিক ‘প্রথম আলো’, ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’, ‘করতোয়া’,
‘সোনার দেশ’, ‘বাংলাদেশ সময়’, পূর্বদেশ
ও কারেন্ট নিউজ পত্রিকায় এবং বাংলাদেশ বেতার
ঢাকা, বাংলাদেশ বেতার খুলনা, বাংলাদেশ
বেতার রংপুর এ অসংখ্য লেখা-কবিতা
প্রচারিত হয়। তিনি একজন
তরুণ কবি, লেখক, গীতিকার ও চিত্রশিল্পী। মনোমুদ্ধকর
চিত্র অংকন করে অনেক পুরস্কার ও সুনাম অর্জন করেছেন। তিনি পড়ালেখার
পাশাপাশি অতি তীক্ষèতার তার সাথে লিখে চলেছেন। কবির লেখায় প্রকাশিত
হয়েছে বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস, অমর একুশ, বায়ান্নর
ভাষা আন্দোলন, মহান
স্বাধীনতা দিবস, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, সাম্প্রতিক
সময়ের বেদনাদায়ক ঘটনা, জাতির
পিতা বঙ্গবন্ধু-কে নিয়ে বিভিন্ন কবিতা, জঙ্গিবাদ। প্রকাশিত লেখা : (১) গল্প : তেলা ভূত
(প্রথম আলো), (২) কবিতা : শৈশব মানে (কারেন্ট
নিউজ)। প্রকাশিত যৌথকাব্যগ্রন্থ “কাশফুল”। সম্পাদিত যৌথকাব্যগ্রন্থ
“সবুজের
বুকে লাল”, “বিজয় নিশান”, “বাংলা আমার জন্মভূমি”, “তারুণ্যের
অঙ্গীকার”, “জেগে ওঠো বাংলাদেশ”, “আঘাত”। শিশুতোষ ছড়াগ্রন্থ:- “ফুল-পাপড়ি”
। গল্পগ্রন্থ“গল্পের সিঁড়ি”
।
সম্মাননাঃ-
কাব্যচন্দ্রিকা শিশু সাহিত্য পদক-২০১৭।